স্ত্রীর খুনের রক্ত দিয়ে কাস্তে হাঁতুড়ির চিত্র আর্ট করল স্বামী.............. হ্যাঁ। শুনলে অবাক হবেন কিন্তু এটা সত্য। বামপন্থা আজ কেবল একটি মতাদর্শ নয় একটি মানসিক রোগ। ঘটনা ত্রিপুরা রাজ্যের। সেই ত্রেপুরা যেখানে দীর্ঘ 25বছর কমিউনিষ্টরা সরকারে ছিল। 2018 তে নির্বাচনে ত্রিপুরার জনগণ কমিউনিষ্টদের ক্ষমতাচ্যুত করে। যেমনটা পশ্চিমবঙ্গে হয়েছিল। ত্রিপুরার দক্ষীণ জেলায় "দক্ষিণ ত্রিপুরার CPIM এর গণমুক্তি পরিষদের বিভাগীয় সম্পাদক নিজের স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে তার রক্ত দিয়ে কাস্তে হাতুড়ি আঁকল। এবং সেই মৃত স্ত্রীকে জড়িয়ে মেঝেতে পড়েছিল ঔই ব্যাক্তি। পুলিশ খবর পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে।(বিলোনীয়ার টিল্লাপাড়ার ঘঠনা) অভিযুক্ত :- সৌমিত্র রিয়াং এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। তাই হিন্দুরা কমিউনিজম থেকে সতর্ক থাকুন এবং অন্যকে সতর্ক করুন। যারা নিজের কেউ কমিউনিজমের সথে জড়িত থাকে তাহলে তাকে এই রোগ থেকে বেড়িয়ে আসতে সাহায্য করুন এবং প্রয়োজনে মানসিক ...
Vidisha के Vijay Temple की तरह हूबहू दिखता है नया संसद भवन, देखिए विजय मंदिर (Vijay Mandir) अपनी विशालता और प्रसिद्धि की वजह से हमेशा से मुस्लिम बादशाहों की आंखों में गढ़ता रहा. आक्रमणकारियों ने विजय मंदिर को कई बार लूटा और तोड़ा. विदिशा: भारत के नए संसद भवन (Parliament of India) और मध्य प्रदेश के विदिशा में स्थित विजय मंदिर (Vijay Temple) की फोटो सोशल मीडिया पर खूब वायरल हो रही है. कई यूजर्स ने इस फोटो के साथ लिखा कि भारत का नया संसद भवन अमेरिका के पेंटागन की तरह है. वहीं दूसरे यूजर्स इसको विदिशा के विजय मंदिर की नकल भी बता रहे हैं. 1/5 एक ही जैसे दिखते हैं विजय मंदिर और नया संसद भवन गौरतलब है कि भारत के नए संसद भवन का मॉडल देखने में हूबहू विदिशा के विजय मंदिर की तरह लगता है. भारत का नया संसद भवन और विजय मंदिर दोनों की आकृति त्रिभुजाकार है. ऊपर से देखने पर विजय मंदिर और भारत का नया संसद भवन एक जैसे ही लगते हैं. 2/5 चालुक्य राजा के प्रधानमंत्री ने बनवाया था विजय मंदिर चालुक्य वंशी राजा कृष्ण के प्रधानमंत्री वाचस्पति ने विदिशा में विजय मंदिर का निर्माण कर...
বাঙ্গালী বিরোধী শেখ মুজিবর রহমান। যাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বঙ্গবন্ধু বলা হয়। আমাদের ভারতবর্ষে কিছু অল্পবুদ্ধি সম্পন্ন বাঙ্গালীরা মুজিবরকে বাঙ্গালীর উদ্ধার কর্তা বলতে সংকুচ বোধ করেনা। উল্লেখ্য যে যখন দেশ ভাগ হয়েছিল সেই সময় মুজিবর রহমান "বেঙ্গল মুসলীম ছাত্রলিগ" এর সদস্য ছিল। সেই মুসলীম লিগ যার ডাইরেক্ট একশনে দেশের লক্ষাদিক হিন্দু ,বৌদ্ধ,জৈন এবং শিখেরাপ্রাণ হারিয়েছে। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত বিভাগ পরবর্তী পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে শেখ মুজিব ছিলেন। চিত্র - শেখ মুজিবর রহমান। চিত্র -হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবর রহমান। শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় থেকে। ঐ বছরই বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন তদানীন্তন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং খাদ্যমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে বাংলা ও পাকি...