"হিন্দুরাষ্ট্র" পুনরগঠনের দাবিতে নেপালের রাজপথে জনস্রোত।
নেপালকে পুনরায় হিন্দুরাষ্ট গঠনের দাবি উঠেছে নেপালে। নেপালের সংসদে এই নিয়ে সংশোধন প্রস্তাব আনার প্লেন করা হচ্ছে। ইতি মধ্যেই নেপালের জনগণ রাস্তায় নেমেছে হিন্দুরাষ্ট্র পুরগঠনের দাবিতে।নেপালের ক্ষমতাশালী দলের সহযোগী, বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন গুলি এবং নেপালের সংসদে চতুর্থ সবথেকে বড় রাজনৈতিক বিরোধী দল 'রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি' নেপালের দক্ষীণের বীরগঞ্জে অনুষ্ঠীত কেন্দ্রীয় কমিঠির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয় যে নেপালকে পুনরায় হিন্দুরাষ্ট্র গঠনের জন্য সংসদে সংবিধান সংশুধনের প্রস্তাবনা আনা হবে। বৈঠকের অধ্যক্ষ্যতা করেছিলেন "RPP" অধ্যক্ষ এবং প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী কমল থাপা করেছেন।
পার্টির সূত্রে জানা যায় যে তারা সংসদে সংবিধান সংশুধনের প্রস্তাব আনবে এবং নেপালকে পুনরায় হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণা দেবে। যা "ধর্মনিরপেক্ষ" প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আনা হবে। পর্টির বৈঠকে আরো বলা হয় - ' যদি সংবিধান সংশুধনের মাধ্যমে দেশকে পুনরায় হিন্দুরাষ্ট্রে গঠিত না করা হয় তাহলে পার্টি এই দাবি নিয়ে আন্দোলন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।' উল্লেখ্য যে, 2015 সালে সংবিধান সংশুধনের মধ্যমে নেপলকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রতে রূপান্তরীত করে।
নেপালের কমিউনিষ্ট পার্টি নেপালের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ধ্বংস করতে চায়। এবং চিনের কথায় দীর্ঘদিনের ভারত - নেপাল সম্পর্ককে শেষ করতে চায়। নেপালের সাধারণ হিন্দু জনগণ এখন সেটি ভাল করেই বুঝতে পারছেন। এই দাবিতে রাজধানী কাঠমুন্ডুর রাজপথে লক্ষ লক্ষ মানুষের জনস্রোত। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা বিক্ষোভকারীদের। উল্লেখ্য, ১৭৬৮ সালে রাজা পৃথ্বী নারায়ণ শাহ রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পর থেকেই নেপাল পরিচিত ছিলো হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে। দীর্ঘ ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ২০০৮ সালে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর, ২০১৫ সালে কার্যকর হওয়া নতুন সংবিধানে সেই পরিচয় মুছে দেয়, নেপাল ।